শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন
বনি আমিন,
মনপুরা ভোলা প্রতিনিধি
ভোলার মনপুরা উপজেলায় যুবদলের আহবায়ক ও সদস্য সচিবকে নিয়ে এক মিথ্যা ভয়েস রেকর্ডকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক ও হেনস্তা।
ঘটনা শুরু হয় গত ৬ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে। শামিম নামের এক ব্যক্তি সাংবাদিক মেহেদির কাছে একটি ভয়েস রেকর্ড পাঠান, যেখানে দাবি করা হয়—যুবদলের সদস্য সচিব হাফেজ আব্দুর রহিমসহ কয়েকজন স্থানীয় নেতা নদীর ঘাট থেকে জেলেদের ইলিশ মাছ নিয়ে গেছেন।
পরে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করে দেখেন, তথ্যটি সম্পূর্ণ অসত্য। শামিমকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিনি জানান, “বাসা থেকে বাজারে যাওয়ার পথে লোকমুখে এমন কথা শুনে আমি সাংবাদিক মেহেদী ভাইকে ভয়েস পাঠাই। কিন্তু বাজারে এসে দেখি, যুবদলের সদস্য সচিবসহ কয়েকজন নেতা ছাত্তার পাটওয়ারীর দোকানে রাজনৈতিক আলোচনা করছিলেন। তখনই আমি মেহেদী ভাইকে ফোন দিয়ে জানাই—ঘটনাটি ভুল বোঝাবুঝি।”
তবে এর একদিন পরই অঘটন ঘটে। সাংবাদিক মেহেদির হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার হ্যাক করে এক কুচক্রী মহল ঐ ভয়েস রেকর্ডটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। এর ফলে মনপুরা উপজেলা যুবদলের আহবায়ক ও সদস্য সচিবকে নিয়ে শুরু হয় মিথ্যা প্রচারণা ও অনলাইন হেনস্তা।
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে যুবদলের আহবায়ক বলেন, “বর্তমানে ইলিশের প্রজনন মৌসুম চলছে। মা ইলিশ সংরক্ষণে উপজেলা প্রশাসন, কোস্ট গার্ড, নৌবাহিনী ও মৎস্য বিভাগ নিয়মিত টহলে রয়েছে। এই অবস্থায় নদীতে গিয়ে মাছ ধরার অভিযোগ একেবারেই অবাস্তব ও হাস্যকর।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি কুচক্রী মহল সামাজিক মাধ্যমে মিথ্যা প্রপাগাণ্ডা ছড়াচ্ছে। মনপুরা উপজেলা যুবদল এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়। ইতোমধ্যে আমরা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করেছি।”